প্রতিষ্ঠানের নাম:
  • Humanitarian Workers in Coxsbazar
সমস্যা (আপনার উদ্যোগ কোন কোন সমস্যার সমাধান করে?)
  • ত্রাণ বিতরণে সহায়তা – খাবার, ঔষুধ, উপকরণ
  • সচেতনতা বৃদ্ধি – ঘরে থাকা, পরিচ্ছন্ন থাকা প্রভৃতি
উদ্যোগ / কার্যক্রম (বর্তমানে চলমান)
  • কলাতলি টু লাবনি পয়েন্ট রোডে বসবাসরত প্রায় ১২ থেকে ১৫ জন উম্মাদ/পাগলের খাবার সংস্থান
উদ্যোগ / কার্যক্রম (পরবর্তী পরিকল্পনা?)
  • কলাতলি টু লাবনি পয়েন্ট রোডে বসবাসরত প্রায় ১২ থেকে ১৫ জন উম্মাদ/পাগলের খাবার সংস্থান
ফোকাল পয়েন্ট এর নাম
  • Mahmudul Hasan
মোবাইল নং
  • 01716103333
ই-মেইল
ফোকাল পয়েন্ট এর ফেসবুক আইডি লিংক
  • https://www.facebook.com/Mahmudul1984
হোয়াটস অ্যাপ
  • 01716103333
প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজ
  • https://www.facebook.com/groups/502774043471539/
প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা
  • 3000
সুপারিশ ১ (কোন কোন বিষয়ে সমন্বয় জরুরী?)
  • কিভাবে আমরা আমাদের গ্রাম/মহল্লা তথা বাংলাদেশকে করোনামুক্ত করতে পারি? বিস্তারিত নিচে পড়ুন।
সুপারিশ ২ (নতুন সমস্যা পেলে উল্লেখ করুন)
  • ১। যেদিন থেকে একটি গ্রাম/মহল্লায় কাজ শুরু হবে সেদিন থেকে এলাকার সবাইকে ১৪ দিনের কোয়রেনটাইন পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ২। যেকোন চার/পাচটি উপসর্গ থাকলেই তার জন্য করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে। সংক্রমিত রোগীকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিতে হবে অথবা আইসোলেশনে রাখতে হবে। ৩। আইসোলেশনে থাকা রোগীকে খাবার ও চিকিৎসার বাবস্থা করতে হবে। সম্ভব হলে আইসোলেশনে থাকা রোগী ও রোগীর পরিবারকে অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য করা যেতে পারে। ৪। প্রথম দিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত প্রতিদিন বাড়ি-বাড়ি বা ঘরে-ঘরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কোন বাক্তি ও পরিবার যদি বাড়ি-বাড়ি বা ঘরে-ঘরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ পছন্দ না করে তাহলে তাঁরা নিকটবর্তী ই পি আই সেন্টার/কমিউনিটি ক্লিনিক/ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র অথবা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতা্লে এসেও কাজটি করাতে পারবেন। এলাকায় অস্থায়ী বুথ তৈরি করেও কাজটি করা যেতে পারে। ৫। সম্মতি নিয়ে ও সৎ ব্যবহারের মাধ্যমে রোজ একবার নন কনটাক থার্মোমিটার দিয়ে গ্রাম/মহল্লার সকলের তাপমাত্রা মাপতে হবে এবং করোনার উপসর্গগুলোগুলো আছে কিনা জিজ্ঞেস করে নিচের ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফরমটি নিচে ছবিতে দেখুন। ৬। তাপমাত্রা যদি ৩৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে হয় তাহলে তা মার্ক করে দিতে হবে। ৭। ১৪ দিনের মধ্যে আর কেউ যদি নতুন করে গ্রাম/মহল্লায় সংক্রমিত না হয় তাহলে গ্রাম/ মহল্লাটিকে করোনামুক্ত বলে ঘোষণা করা যেতে পারে। তবে যতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশ করোনামুক্ত না হবে
  • ততদিন পর্যন্ত সকলকেই গ্রাম/মহল্লার বাইরে গেলে সরকারের নির্দেশিত নিয়ম মেনে উপদেশ দিতে হবে।
সুপারিশ ৩ (কোনো সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান জানা থাকলে উল্লেখ করুন)
  • কাজটি করতে কি কি লাগবেঃ ▒█ ১। গ্রাম/মহল্লা ভিত্তিক করোনার উপসর্গযুক্ত রোগী খুঁজে বের করার ফর্ম ২। ই পি আই সেন্টার/কমিউনিটি ক্লিনিক/ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সকল হাসপাতাল গুলোতে টেস্টের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ৩। একটি গ্রামের জন্য কমপক্ষে ৫ টি নন কনটাক থার্মোমিটার ও মহল্লার জন্য ২ টি থার্মোমিটার লাগবে। ৪। কাজটি করতে এক গ্রুপে ২ জন ওই গ্রাম/মহল্লাার সুপরিচিত ব্যক্তি থাকলে ভাল হবে। ৫। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভায় সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রাম/মহল্লায় এই কাজটি করতে হবে।